৩ বছর নয়, ১০০ দিনেই সম্ভব করোনা নির্মূল!

দুই বা তিন বছর নয় মাত্র ১০০ দিনেই করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে দেশকে মুক্ত করা সম্ভব বলে মনে করে চিকিৎসকদের সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর সেফটি রাইট অ্যান্ড রেস্পন্সিবিলিটি (এফডিএসআর)। এ লক্ষ্যে ১০০ দিনের একটি কর্মপরিকল্পনাও দিয়েছে সংগঠনটি। এতে দেশব্যাপী লকডাউন কার্যক্রম,অর্থনীতি কর্মকাণ্ডকে গতিশীল রাখা, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় পূর্ণাঙ্গ খরচের বিষয়ে সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে ‘করোনা মোকাবেলায় পরামর্শ ও কর্মক্ষেত্রের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করে এফডিএসআর।

সংগঠনটির উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার একটি পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে এ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

গণমাধ্যম ও প্রচার সম্পাদক ডা. শাহেদ ইমরানের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল এই সংবাদ সম্মেলনে আরও যুক্ত ছিলেন, এফডিএসআরের চেয়ারম্যান ডা. আবুল হাসানাৎ মিল্টন, মহাসচিব ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, যুগ্ম-মহাসচিব ডা. রাহাত আনোয়ার চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ডা. মো. রশিদুল হক, আইন সম্পাদক ডা অধ্যাপক নোমান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা ফরহাদ মঞ্জুর প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

‘০-০-১০০-১০০’ শীর্ষক কর্মপরিকল্পনায় তিন মাস ১০ দিনে দেশ থেকে করোনা ভাইরাস নির্মূল করা সম্ভব বলে এফডিএসআর দাবি করেছে। সংক্রমণ ০, মৃত্যু ০, ১০০ ভাগ চিকিৎসা এবং ১০০ দিনে অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করছে তারা।

এফডিএসআর তাদের পরিকল্পনায় লক্ষ্য ০-০-১০০-১০০ এর মাধ্যমে সংক্রমণ শূন্যে নামিয়ে আনতে টানা ৪২ দিনের লকডাউন কার্যক্রম করার পরামর্শ দিয়েছে চিকিৎসকদের এই সংগঠনটি। তারা বলছে, সারা দেশকে তিন ভাগে ভাগ করে লকডাউন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথমে ২৮ দিন এবং পরবর্তী ১৪ করে এ লকডাউন করতে হবে।

টানা এই লকডাউনের মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত, তাদেরকে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা যাবে। কারো মধ্যে উপসর্গ দেখা গেলে তারা সহজে শনাক্ত করা যাবে। পাশাপাশি নতুন করে কেউ সংক্রমণের সুযোগ থাকবে না।

এছাড়া ধীরে ধীরে অর্থনীতি দিকে নজর দিতে হবে। ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনার ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিটি এলাকার রোগমুক্ত হবে। এসময় এলাকার বাইরে থেকে মানুষ আসা-যাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

করোনাভাইরাস মৃত্যু শূন্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে সংগঠনটি রোগী শনাক্ত করতে কোভিড-১৯ পরিক্ষা নিশ্চিত করা, বাসায় পর্যাপ্ত ঔষধ সামগ্রী, অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, ঔষধ ও অক্সিজেন সহ সকল সেবার মূল্য নির্ধারণ করা, মানসম্মত পিপিই পাওয়ার ব্যবস্থা করা, সকল হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্র সেবা দেয়ার উপযুক্ত করে তুলার দাবি জানানো হয়েছে।

যারা সুস্থ হবেন তাদের মধ্য থেকে তরুণদের বাড়ি বাড়ি সেবা দেয়ার কাজে নিয়োজিত করার প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি।

১০০ দিনের রোডম্যাপে ৫০ তম দিন থেকে পরবর্তী ৫০ দিনের মধ্যে সকল অফিস, ব্যাংক, দোকান, সিনেমা হল সব খুলে দেয়া হবে। ৬০ তম দিন থেকে বিমানবন্দর ও অন্যান্য পরিবহনের জন্য খুলে দেয়া হবে। যদি ভাগে ভাগে লকডাউন হয় তবে এলাকায় এলাকায় যাতায়াত ১০০ দিন বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল অফিস পাবলিক প্লেসে বের হতে হবে।

এছাড়া এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে প্রাথমিক দরকার সমন্বয় এবং নেতৃত্ব। এক্ষেত্রে জনবলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সংগঠনটি। প্রতিরোধমূলক কাজে গুরুত্ব প্রদান, দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো, ঔষধ বিতরণ বিক্রি ও রোগী পরিবহন, জনসংযোগ, সচ্ছলদের জন্য বিতরণ ব্যবস্থা, করোনা পরবর্তী পুনর্বাসন এবং কৃষি খাতকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

করোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে সংগঠনটি জানায়, হাসপাতালগুলোতে মেডিকেল ছাত্রলীগের পঞ্চম বর্ষ এবং ইন্টার্নদের দিয়ে চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত করা, বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে সারাদেশে অন্তত ২০০ হাসপাতাল নির্বাচন করে সেখানে করোনা ইউনিট স্থাপন করা, দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর এবং অন্যান্য সরঞ্জাম কিনে দিতে বলা। যেটা তারা আগামী তিন বছর ট্যাক্সের সঙ্গে অর্ধেক অর্থ কিস্তিতে সমন্বয় করতে পারবে সে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

চিকিৎসা ব্যয় সম্পর্কে জানাতে সংগঠনটি জানায়, দেশের ৫০০ উপজেলায় ভলেন্টিয়ার বা স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা হবে ৫০ হাজার। তাদের জন্য প্রতিদিন ২০০ টাকা হিসেবে ১০ কোটি টাকা, মাসে ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। যা স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং নেতারা বহন করবেন। পাঁচশ উপজেলায় ২ কোটি ৪১ লাখ দরিদ্র মানুষের মাঝে খাবার প্রদানের প্রস্তাব করা হয়েছে।

লকডাউন নিশ্চিত করতে পারলে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত হতে পারে ২ কোটির বেশি মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে যাবে ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে একদমই দরিদ্র থাকতে পারে ৬০ লাখ রোগী। তাদের জন্য চিকিৎসা বাবদ খরচ হবে ৩০০ কোটি টাকা। ভ্যান্টিলেটর ও আইসিইউ খরচ হবে ১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। ওষুধ বাবদ খরচ হবে ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অন্যান্য সকল খরচ বাদে শুধু দরিদ্রদের জন্য খরচ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সম্ভাব্য খরচ জানাতে গিয়ে সংগঠনটি জানান, চিকিৎসায় খরচ হবে ১০ হাজার কোটি টাকা। অতিরিক্ত জনবল বাবদ খরচ হবে এক হাজার কোটি টাকা। যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ ৫০০ কোটি টাকা। গরিব মানুষের জন্য খাবার ব্যয় ৪৩ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা। ভলেন্টিয়ার বাবদ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। অন্যান্য ব্যয় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা। আর মোট ব্যয় ৫৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা।

এদিকে প্রস্তাবনার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংগঠনটির উপদেষ্টা ডা. আব্দুর নূর তুষার জানান, এই প্রস্তাবনা এরইমধ্যে সরকারের বিভিন্ন মহলের দায়িত্বশীলদের কাছে একাধিকবার পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবনার কিছু কিছু বিষয় গ্রহণ করা হলেও সামগ্রীক পরিকল্পনা সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়নি। প্রস্তাবনা বর্তমান সময় এবং অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু সংশোধন করে পুনরায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

করোনা ভাইরাস থেকে উত্তরণে কতটা সময় লাগতে পারে এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয় যদি কাজ না করে তাহলে করোনা যেতে ৩ বছর লাগবে। কিন্তু যদি কাজ করে তাহলে করোনা যেতে ৩ মাস ১০ দিন লাগবে।’

সরকারের গৃহিত লকডাউন কার্যক্রম খুব একটা কাজে নাও আসতে পারে। লকডাউন করলে এলাকা ভিত্তিক না করে জেলা ভিত্তিক করার প্রস্তাব জানিয়ে ডা. তুষার বলেন, ‘একেকটা এলাকা লকডাউন করে লাল থেকে সবুজ করে লাভ হবে না। কারণ এক এলাকার লোক অন্য এলাকাকে আক্রান্ত করে ফেলবে। এক্ষেত্রে লাভ হবে না। তাই আমাদের প্রস্তাব, পুরো জেলাকে একত্রে লকডাউন করা।‘

রাজধানীর বস্তিগুলোতে করোনার পরিস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে এই চিকিৎসক বলেন, ‘বস্তিতে অনেক লোক আক্রান্ত হয়েছে, যাদের ৮০ শতাংশের মতো সুস্থ হয়ে গেছে। কিন্তু তারা পরিক্ষা করাচ্ছে না। ফলে তারা আক্রান্ত হলেও জানা যাচ্ছে না। এক্ষেত্রে বস্তিগুলোকে লকডাউন করতে হবে। বস্তি থেকে কেউ বের হতে পারবে না, কেউ রোগ নিয়ে বস্তিতে আসতে পারবে না।‘

এফডিআরএস চেয়ারম্যান ডা. আবুল হাসানাৎ মিল্টন বলেন, ‘কোভিড-১৯ শে আক্রান্ত হয়েছে মারা যাওয়া ৪৬ জন চিকিৎসকের মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। সারাদেশে সকল স্বাস্থ্যকর্মী সহ সংশ্লিষ্ট সকল পেশার যারা শহিদ হয়েছে তাদের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। চিকিৎসিকদের নিরাপত্তারর স্বার্থে পিপিই প্রদান করার কথা বলেছিলাম। এছাড়া আমরা আরো অনেক পরামর্শ দিয়েছি। একটু দেরিতে হলেও আমাদের অনেক পরামর্শ গৃহীত হয়েছে। আমরা মনে করি, করোনার মতো বৈশিক মহামারীকে বৈজ্ঞানিক ভাবে মোকাবেলা করা উচিত।‘

এসময় তিনি দেশে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকদের ওপর নির্যাতন এবং হত্যার দ্রুত দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনের মূল প্রবন্ধে ১০ দফা দাবি উল্লেখ করেন ডা. আব্দুর নূর তুষার।

এফডিএসআরের দশ দফা দাবি:

এছাড়া সংগঠনটি করোনা মোকাবেলা এবং চিকিৎসকদের নিরাপত্তার জন্য আরও দশ দফা দাবি তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে, করোনা মোকাবেলায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ গুলো অতিদ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আরো কার্যকর পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে। শুধু তাই নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি নেতৃত্বে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি করে তাদের সুপারিশ সময় বেঁধে দিয়ে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে সবধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে; করোনা মোকাবেলায় সফল দেশগুলির উদাহরন আমাদের সামনে আছে। প্রয়োজনে সেই দেশগুলি থেকে সহায়তা নিতে হবে; একই শহরের ভেতরে তিন রঙের জোন না করে বরং পুরো শহর / (জেলা) যেমন ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, গাজিপুর, চট্টগ্রামসহ হটস্পট শহর/জেলাসমূহে কঠোরভাবে চার সপ্তাহের জন্য সম্পূর্ণ লকডাউন পালন করতে হবে। এসময়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ, প্রশাসন ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সক্রিয় ভূমিকা নিশ্চিত করতে হবে। দরিদ্র এবং চিকিৎসা সেবা প্রত্যাশী মানুষ যেন কষ্ট না পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। যতটা সম্ভব টেস্ট করতে হবে। চার সপ্তাহের শেষদিকে পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে লকডাউনের পরবর্তী সম্প্রসারণের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে; কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়ে যে সব ডাক্তাররা ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের প্রণোদনার অর্থ দ্রুত প্রদান করবার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছি। কোভিড-১৯ এ মৃত্যুবরণকারী বেসরকারী ডাক্তারদের জন্যও প্রণোদনা প্রদানের দাবি জানাচ্ছি। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারীকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু পরিবার অর্থনৈতিকভাবে কষ্টে দিন কাটাচ্ছে; কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার লক্ষ্যে ‘চিকিৎসকসহ সকল স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন’ প্রণয়ন করুন। এই আইনে সকলের মতামত নিন এবং পৃথক আইন করুন। এর সাথে কোন ক্লিনিক , প্যাথলজি ল্যাব বা ব্যবসাপরিচালনাকে সংযুক্ত না করে, কেবল স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা বিধান করুন। সেইসাথে আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ‘হেলথ পুলিশ’ গঠন এখন সময়ের দাবী; কর্মক্ষেত্রে চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে মানসম্মত ‘ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সামগ্রী’ বা পিপিই প্রদান করতে হবে। পিপিইর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করে তা সহজলভ্য করতে হবে ও মুনাফালোভীদের অসাধু ব্যবসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

এছাড়া, সকল চিকিৎসকের ন্যায্য বেতনভাতা নিশ্চিত করতে হবে। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজে বেতন ও বোনাস কর্তন, অন্যায় ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে। কম বেতন দিয়ে অতিরিক্ত শ্রমঘন্টা কাজ করানো বন্ধ করতে হবে; জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাবার লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচী গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি মেডিক্যাল শিক্ষাকেও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হবে; সারাদেশ ব্যাপী দরিদ্রদের মধ্যে/চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও অন্যান্য সম্মুখযোদ্ধাদের জন্য বিনা মূল্যে/ অন্যদের জন্য ন্যায্যমূল্যে মাস্ক, সাবান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করতে হবে।

এবং করোনা মোকাবেলায় প্রতিটা মানুষের স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারের আদেশ মেনে চলাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যখাতের বিরাজমান অব্যবস্থা জনগনের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার প্রতি অবিশ্বাস ও অনাস্থা তৈরী করছে। স্বাস্থ্যখাতের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের গণমাধ্যমে স্ববিরোধী বক্তব্য মানুষকে হতাশ করে এবং এ কারনেই জনগণ লকডাউনসহ নানা বিষয় অমান্য করে। কারণ তারা আস্থাহীনতায় ভুগছে।

S-(ঢাকাটাইমস/২০জুন)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*