সুশান্ত সিংহ রাজপুত।

অনেক রহস্য রেখেই যাত্রা শেষ সুশান্ত সিংহ রাজপুতের

মুম্বইয়ের ভিলে পার্লেতে পবনহংস শ্মশানে শেষকৃত্য হল অভিনেতা  সুশান্ত সিংহ রাজপুতের। সোমবার বিকেল  ৫টা নাগাদ তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শেষকৃত্যের যাবতীয় নিয়মকানুন পালন করেন সুশান্তের দুই বোন এবং বাবা।  সুশান্তের শেষকৃত্যে হাজির থাকার জন্য ২০ জনকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

ছেলের শেষকৃত্যের জন্য সোমবার সকালেই মুম্বইয়ে এসে পৌঁছন সুশান্তের বাবা কৃষ্ণকুমার সিংহ এবং পরিবারের সদস্যরা।  রবিবার রাতেই কুপার হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হয় সুশান্তের। শেষকৃত্যের আগে পর্যন্ত হাসপাতালেই রাখা ছিল তাঁর মরদেহ। মুম্বইয়ে নেমেই হাসপাতালে পৌঁছে যান সুশান্তের পরিবারের সদস্যরা। হাসপাতালে যান অভিনেতার গার্লফ্রেন্ড রিয়া চক্রবর্তী।

হাসপাতাল থেকে ভিলে পার্লেতে শেষকৃত্যের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সুশান্তের মরদেহ। ছবি সৌজন্য টুইটার।

এ দিন বিকেলে হাসপাতাল থেকে পবন হংস শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয় সুশান্তের মরদেহ। তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য হাজির বলিউডের অনেকেই। ছিলেন সুশান্তের গার্লফ্রেন্ড রিয়াও এবং বন্ধু সন্দীপ সিংহ।  এ ছাড়া হাজির ছিলেন শ্রদ্ধা কপূর, রণবীর সুরি, বিবেক ওবেরয়, কৃতী স্যানন, একতা কপূর, বরুণ শর্মা-সহ অনেকেই। কিন্তু তাঁদের শ্মশানের ভিতরে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়নি। সুশান্তকে চোখের জলে বিদায় জানায় বলিউড।

সুশান্তের শেষকৃত্যে হাজির বলিউডের অনেকেই। ছবি সৌজন্য টুইটার।

অনেক রহস্য রেখেই চলে গেলেন সুশান্ত। তাঁর মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আত্মহত্যা নয়, খুন করা হয়েছে সুশান্তকে— এমনটাই দাবি করেছে পরিবার। আত্মহত্যার আগে পর্যন্ত বিষণ্ণতার কোনও লক্ষণ ধরা পড়েনি সুশান্তের মধ্যে। এমনও দাবি করেছেন তাঁর বন্ধুরা। সব সময় হাসিখুশি থাকা ছেলেটা কেন হঠাৎ করে এমন চরম সিদ্ধান্ত নিল সে প্রশ্নের উত্তর আপাতত অধরাই রয়েছে। তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। কারণ সুশান্তের ঘর থেকে কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি। ফলে সুশান্ত-মৃত্যুর তদন্তে যাতে কোনও রকম ফাঁক না থাকে সে দিকটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। নানা সূত্র থেকে সুশান্তের অবসাদের কথাও উঠছে। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা তা মানতে নারাজ। মৃত্যুর দিনও সকাল ৯টায় গোরেগাঁওতে দিদিকে ফোন করে কথা বলেন সুশান্ত। দিদির দাবি, সে সময়ে কোনও রকম অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি সুশান্তের কথার মধ্যে।

S-Anandabazar

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*